Global B2B Pharmaceutical Sourcing · Dossier Licensing · Named-Patient Access
💬 WhatsApp · Sign in · Register

বাংলাদেশে ঔষধ ও সাপ্লিমেন্ট সরবরাহ

বিদেশ থেকে ঔষধ ও সাপ্লিমেন্ট সংগ্রহ করেন এমন বাংলাদেশি আমদানিকারক, হাসপাতাল ও পরিবেশকদের জন্য, এবং বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে বাংলাদেশে পণ্য বিক্রি করতে চান এমন প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের জন্য একটি ব্যবহারিক নির্দেশিকা।

এই পাতা অন্যান্য ভাষায়: English · বাংলা

বাংলাদেশের নিজস্ব ঔষধশিল্প দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ পূরণ করে। তাই আমদানি হয় মূলত বাকি ঘাটতি পূরণে: বায়োলজিক্যাল, ক্যানসারের (অনকোলজি) ঔষধ ও অন্যান্য বিশেষায়িত পণ্য। এসব পণ্যের বাজার বাস্তব, এবং তা বাড়ছে।

একটি তারিখ সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। ২৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উত্তরণের কথা রয়েছে, আর এতে ঔষধের পেটেন্টে দেশটির ছাড় সুবিধা শেষ হয়ে যাবে। বাংলাদেশ উত্তরণ তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছে, এবং অক্টোবর ২০২৬-এ জাতিসংঘ অনুরোধটি বিবেচনা করছে।

এক নজরে বাংলাদেশ

নিয়ন্ত্রক সংস্থাঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (DGDA), ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর অধীনে
কে আবেদন করেনবিদেশি প্রস্তুতকারকের পক্ষে একজন স্থানীয় মনোনীত প্রতিনিধি আবেদন করেন
নিবন্ধনCoPP বা ফ্রি সেল সার্টিফিকেট লাগে, এবং সাধারণত পণ্যটি সাতটি রেফারেন্স দেশের অন্তত একটিতে নিবন্ধিত থাকতে হয়: অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্র। প্রতি পাঁচ বছর পর নবায়ন করতে হয়
আমদানির পরিমাণপ্রতিটি আমদানির পরিমাণ DGDA অনুমোদন করে, যা প্রায়ই আবেদনের চেয়ে কম হয়
দাম নির্ধারণঅত্যাবশ্যকীয় ঔষধের দাম সরকার নির্ধারণ করে; জানুয়ারি ২০২৬-এ এই তালিকা বাড়িয়ে প্রায় ২৯৫টি পণ্য করা হয়েছে

বাংলাদেশে কীভাবে ঔষধ সরবরাহ করবেন

  1. স্থানীয় প্রতিনিধি নিয়োগ করুন। বিদেশি প্রস্তুতকারকের পক্ষে একজন স্থানীয় মনোনীত প্রতিনিধি DGDA-তে আবেদন করেন এবং আমদানির কাজ দেখাশোনা করেন।
  2. ডসিয়ার প্রস্তুত করুন। একটি CTD ডসিয়ার, সঙ্গে CoPP বা ফ্রি সেল সার্টিফিকেট এবং কারখানার GMP-এর প্রমাণ। DGDA বিদেশি কারখানা পরিদর্শন করতে পারে। প্যাকের নমুনা জমা দিতে হয় ইংরেজি বা বাংলায়।
  3. সিদ্ধান্তের জন্য সময় হাতে রাখুন। সিদ্ধান্ত নেয় DGDA-এর ঔষধ নিয়ন্ত্রণ কমিটি (Drug Control Committee)। ২০২৪–২৫ সালে আবেদনের বড় জট তৈরি হয়েছিল, তাই দেরি হতে পারে ধরে নিয়েই পরিকল্পনা করুন।
  4. সরবরাহ করুন। বিশেষায়িত পণ্যের ক্রেতা মূলত বেসরকারি আমদানিকারক ও হাসপাতাল। সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে বেশির ভাগ ঔষধ সরবরাহ করে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রস্তুতকারক EDCL।

নিবন্ধনহীন ঔষধ আমদানি করা যায় কেবল নির্দিষ্ট পরিমাণে, নির্দিষ্ট রোগীর নামে অথবা গবেষণার জন্য, এবং তার আগে DGDA-এর অনুমোদন নিতে হয়। আরও দেখুন: বিশেষ আমদানি ও নির্দিষ্ট রোগীর নামে আমদানি এবং সরকারি দরপত্রে সরবরাহ।

সাপ্লিমেন্ট

আগস্ট ২০২৫ থেকে হেলথ ও ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA), এবং আমদানিকারককে প্রতিটি পণ্য আলাদাভাবে BFSA-তে নিবন্ধন করতে হয়। খাদ্যপণ্যের লেবেলে বাংলা লেখা বা বাংলা স্টিকার থাকতে হবে। GMP সনদপ্রাপ্ত কন্ট্রাক্ট ম্যানুফ্যাকচারারদের মাধ্যমে আমরা ব্র্যান্ডগুলোকে নিজস্ব লেবেলে সাপ্লিমেন্ট তৈরিতে সহায়তা করি: দেখুন প্রাইভেট লেবেল সাপ্লিমেন্ট।

বাংলাদেশে মানুষ কী খোঁজেন

বাংলাদেশে ঔষধ ও সাপ্লিমেন্টের খোঁজ এখনো বেশির ভাগ ইংরেজিতে হয়, তবে বাংলায় খোঁজাও এখন উল্লেখযোগ্য। Semrush-এর অক্টোবর ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয় ভিটামিন: “vitamin d” (মাসে প্রায় ১৪,৮০০ বার), “vitamin b12” (প্রায় ৮,১০০), “vitamin b complex” (প্রায় ৬,৬০০) ও “vitamin c” (প্রায় ৫,৪০০)। এরপর আছে “collagen”, “omega 3”, “protein”, “ashwagandha” ও “magnesium”। জেনেরিক নামের মধ্যে “zinc” (প্রায় ১১,৪০০), “cetirizine” (প্রায় ৮,২০০) ও “montelukast” (প্রায় ৫,৬৬০) এগিয়ে। বাংলায় Google Keyword Planner (৭ অক্টোবর ২০২৬) দেখায়, “ঔষধ” ও “ভিটামিন ডি” প্রতিটি মাসে ১০ হাজার থেকে ১ লাখ বার খোঁজা হয়; “ওষুধ” বানানে খোঁজ কম, ১ হাজার থেকে ১০ হাজার বার। একই ঘরে, অর্থাৎ মাসে ১ হাজার থেকে ১০ হাজার বার, আছে “ভিটামিন বি১২”, “ভিটামিন সি”, “ভিটামিন ই”, “মাল্টিভিটামিন”, “ক্যালসিয়াম”, “জিংক”, “ম্যাগনেসিয়াম”, “আয়রন ট্যাবলেট”, “ফলিক এসিড”, “কোলাজেন” ও “অশ্বগন্ধা”, আর ঔষধের মধ্যে “প্যারাসিটামল”, “মেট্রোনিডাজল” ও “সেফিক্সিম”।

আমদানিকারক ও পরিবেশকেরা কীভাবে খোঁজেন

ব্যবসায়িক খোঁজও মূলত ইংরেজিতে। Google Keyword Planner অনুযায়ী “pharmaceutical companies in bangladesh” মাসে ১ হাজার থেকে ১০ হাজার বার খোঁজা হয়, আর বাংলায় “ওষুধ কোম্পানি” ও “ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি” ১০০ থেকে ১ হাজার বার। নিয়ন্ত্রক সংস্থার নামেও অনেকে খোঁজেন: “dgda” ও “ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর” প্রতিটি মাসে ১ হাজার থেকে ১০ হাজার বার। পরিবেশক বা পাইকারি সরবরাহকারী খোঁজার শব্দে অনলাইন খোঁজ এখনো সীমিত, তাই সরাসরি আপনার চাহিদা আমাদের পাঠান; আমরা GMP সনদপ্রাপ্ত প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে আপনার যোগাযোগ করিয়ে দেব।

যেসব সাপ্লিমেন্ট তৈরিতে আমরা আপনাকে সহায়তা করতে পারি

দেশের কারখানাগুলোই বেশির ভাগ জেনেরিক ঔষধ তৈরি করে, তাই আমদানি হয় মূলত বিশেষায়িত ও হাসপাতালের পণ্য। আমাদের তালিকা থেকে একটি উদাহরণ:

কিছু ক্রেতা মূল ব্র্যান্ডের নাম দিয়েই খোঁজেন: Lasix (ফুরোসেমাইড), মাসে প্রায় ২,৯০০ বার; Daflon (ডায়োসমিন ও হেসপেরিডিন), প্রায় ১,৯০০ বার; আর Flagyl (মেট্রোনিডাজল), প্রায় ১,০০০ বার। উল্লিখিত ব্র্যান্ডগুলো তাদের নিজ নিজ মালিকের; শুধু ঔষধটি চেনানোর জন্য নামগুলো দেওয়া হয়েছে।

সরবরাহকারীর কাছে যেসব কাগজপত্র চাইবেন

কোনো সরবরাহকারী নির্ভরযোগ্য কি না, নিশ্চিত নন? পড়ুন কীভাবে একটি ফার্মাসিউটিক্যাল সরবরাহকারী যাচাই করবেন। প্রতিবেশী বাজারগুলোর জন্য দেখুন আমাদের দক্ষিণ এশিয়া ও সার্ক অঞ্চলের আমদানি নির্দেশিকা। এই পাতায় যুক্ত নির্দেশিকা ও পণ্যের পাতাগুলো ইংরেজিতে।

আপনি কি বাংলাদেশের বাজারে সরবরাহ করেন?

পণ্যের নাম, মাত্রা (স্ট্রেংথ), পরিমাণ এবং আপনার নিয়ন্ত্রক সংস্থা যেসব কাগজপত্র চায়, তা আমাদের পাঠান। আপনার বাজারে সরবরাহ করতে পারে এমন GMP সনদপ্রাপ্ত প্রস্তুতকারক ও সরবরাহকারীদের সঙ্গে আমরা আপনার যোগাযোগ করিয়ে দেব, তারা বিশ্বের যেখানেই থাকুক।

আপনার চাহিদা পাঠান আমাদের টিমের সঙ্গে কথা বলুন

সাধারণ জিজ্ঞাসা

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (DGDA), ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর অধীনে। এই আইন ঔষধ আইন, ১৯৪০ (Drugs Act 1940) এবং ঔষধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৮২-এর জায়গা নিয়েছে।

হ্যাঁ, একজন স্থানীয় মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে। সাধারণত পণ্যটিকে সাতটি রেফারেন্স দেশের অন্তত একটিতে নিবন্ধিত থাকতে হয়: অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্র।

মূলত সেসব পণ্য, যা দেশীয় শিল্প তৈরি করে না, যেমন বায়োলজিক্যাল, ক্যানসারের (অনকোলজি) ঔষধ ও অন্যান্য বিশেষায়িত ঔষধ। প্রতিটি আমদানির পরিমাণ DGDA অনুমোদন করে।

২৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে উত্তরণ কার্যকর হলে বাংলাদেশ ঔষধের পেটেন্টে ছাড় সুবিধা হারাবে। তখন দেশীয় প্রস্তুতকারকেরা পেটেন্ট করা ঔষধ আর অবাধে তৈরি করতে পারবেন না, ফলে লাইসেন্সিং আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। উত্তরণ তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA), আগস্ট ২০২৫ থেকে কার্যকর বিধিমালার অধীনে। আমদানিকারককে প্রতিটি পণ্য নিবন্ধন করতে হয়।

পণ্যের নাম লিখুন যেভাবে আপনি খোঁজেন, যেমন “ভিটামিন ডি৩”, “কোলাজেন” বা “ট্রাস্টুজুমাব”, সঙ্গে মাত্রা ও পরিমাণ জানিয়ে PharmaTradz-এ অনুরোধ পাঠান। আমরা GMP সনদপ্রাপ্ত প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে আপনার যোগাযোগ করিয়ে দেব। স্থানীয় নিয়ম মাথায় রাখুন: ঔষধের জন্য স্থানীয় মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে DGDA-তে নিবন্ধন লাগে এবং প্রতিটি আমদানির পরিমাণ DGDA অনুমোদন করে; সাপ্লিমেন্টের প্রতিটি পণ্য BFSA-তে নিবন্ধন করতে হয়।

Subscribe to Our Newsletter

Stay updated on pharma trends and sourcing opportunities.

Please enter the correct answer.
This website uses cookies to ensure you get the best experience. By using our site, you agree to our Privacy Policy.
WhatsApp us